মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মন্দির

দূর্গাপুর ইউনিয়নের মন্দির সমহের তালিকা ও মন্দির সর্ম্পকে কিছু তথ্য নেম্ন দেওয়া হলো।

১)      প্রতাপ পুর মন্দির

২)     দূর্গাপুর মন্দির

৩)   দূর্গাপুর মন্দির

৪)     দেওগ্রাম মন্দির

৫)    খাড়িয়া নিশিন্দারা মন্দির

৬)    ধলাহার মন্দির

৭)     ধলাহার মন্দির

৮)    ঢেকড়া মন্দির

       ৯)   ছোট  ঢেকড়া মন্দির

      ১০) শীতলাইমন্দির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 
হিন্দু মন্দির
Khajuraho - Kandariya Mahadeo Temple.jpg
 
A temple complex, Lord Bhaktavatsaleshwarar Temple Tamil Nadu India March 2010.jpg
 
Ramakrishna Belur Math, Howrah.jpg
 
 

হিন্দু মন্দির হল হিন্দুদের দেব-উপাসনার স্থান। ‘মন্দির’ বা ‘দেবালয়’ বলতে বোঝায় ‘দেবতার গৃহ’।[১] মানুষ ও দেবতাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য হিন্দুধর্মের আদর্শ ও ধর্মবিশ্বাস-সংক্রান্ত প্রতীকগুলির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত ভবন বা স্থানকেই ‘মন্দির’ বলা হয়।[২] জর্জ মিশেলের মতে, হিন্দু মন্দির এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র যেখানে মায়ার জগৎ থেকে মানুষ তীর্থযাত্রী বা পূণ্যার্থীর বেশে জ্ঞান ও সত্যের জগতের সন্ধানে আসেন।[১]

স্টেলা ক্র্যামরিসচের মতে,[২] হিন্দু মন্দিরের প্রতীকতত্ত্ব ও গঠনভঙ্গিমা বৈদিক ঐতিহ্যের মধ্যেই নিহিত আছে। একটি মন্দিরের মধ্যে হিন্দু বিশ্বতত্ত্বের সকল ধারণার সন্ধান পাওয়া যায়। এরমধ্যে ভাল, মন্দ ও মানবিক দিকগুলির সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুর কালচক্র ধারণা এবং পুরুষার্থ ধারণার সব কিছুই প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ধর্ম, কাম, অর্থ, মোক্ষ, কর্মভক্তির দার্শনিক ধারণাগুলিও প্রতীকের মাধ্যমে মন্দিরে উপস্থিত থাকে।[৩][৪]

হিন্দু মন্দিরে প্রতীকের মাধ্যমে উপস্থিত আধ্যাত্মিক আদর্শগুলির কথা পাওয়া যায় ভারতের প্রাচীন সংস্কৃত ধর্মগ্রন্থগুলিতে (যেমন, বেদ, উপনিষদ্‌ ইত্যাদি)। অন্যদিকে মন্দিরের গঠনভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত, তা বর্ণিত হয়েছে স্থাপত্য-সংক্রান্ত সংস্কৃত প্রবন্ধগ্রন্থগুলিতে (যেমন, বৃহৎসংহিতা, বাস্তুশাস্ত্র ইত্যাদি)।[৫][৬] মন্দিরের নকশা, অলংকরণ, পরিকল্পনা ও নির্মাণশৈলীর মধ্যে প্রাচীন প্রথা ও রীতিনীতি, জ্যামিতিক প্রতীকতত্ত্ব এবং হিন্দুধর্মের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিজস্ব বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে।[২] হিন্দু মন্দিরগুলি হিন্দুদের আধ্যাত্মিক গন্তব্য। সেই সঙ্গে মন্দিরগুলিকে কেন্দ্র করে প্রাচীন শিল্পকলা, সম্প্রদায়গত উৎসব ও আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।[৭][৮]

অঞ্চল ও সম্প্রদায়ভেদে মন্দিরগুলির গঠনভঙ্গিমা ও নির্মাণশৈলীর মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।[৯] তা সত্ত্বেও হিন্দু মন্দিরগুলির মধ্যে কিছু সাধারণ মৌলিক ধারণা, প্রতীকতত্ত্ব ও বিষয়গত মিল দেখা যায়। মন্দিরের প্রাচুর্য দেখা যায় মূলত দক্ষিণ এশিয়া (প্রধানত ভারতনেপাল) এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে (প্রধানত কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপাঞ্চল ও মালয়েশিয়া)।[১০][১১] ফিজি, মরিশাস, গুয়ানা, সুরিনাম, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপউত্তর আমেরিকায় যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য সেখানেও প্রচুর মন্দির গড়ে উঠেছে।[১২] হিন্দু মন্দিরের বর্তমান অবস্থা ও বহিরাকৃতির মধ্যে কয়েক সহস্রাব্দ ধরে বিবর্তনশীল হিন্দু শিল্পকলার মিশ্রণ চোখে পড়ে। খ্রিস্টীয় ১২শ শতাব্দীর পর থেকে হিন্দুধর্ম ও ইসলামের মধ্যে যে সংঘর্ষ চলে আসছে, তারও প্রভাব হিন্দু মন্দিরগুলির উপর পড়েছে।[১৩]

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হিন্দু মন্দির হল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, চারধাম মন্দির-চতুষ্টয় (পুরী জগন্নাথ মন্দির, রামনাথস্বামী মন্দির, দ্বারকাধীশ মন্দির, ও বদ্রীনাথ মন্দির), ছোটো চারধাম মন্দির-চতুষ্টয় (বদ্রীনাথ মন্দির, কেদারনাথ মন্দির, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী), জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরসমূহ, ৫১টি শক্তিপীঠ মন্দিরসমূহ, তিরুপতি বালাজি মন্দির, কামাখ্যা মন্দির ইত্যাদি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কয়েকটি বিখ্যাত মন্দির হল কালীঘাট মন্দির, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, বেলুড় মঠ, তারাপীঠ মন্দির, তারকেশ্বর মন্দির ইত্যাদি। বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত মন্দির হল ঢাকেশ্বরী মন্দির

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter